মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মাসিক সভার রেজুলেশন

             
                 জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়
              উপজেলাঃ দক্ষিণ,সুনামগঞ্জ জেলাঃ সুনামগঞ্জ
 
সুত্রঃ                                                                                                                          তারিখঃ
 
অদ্য ১০/১২/২০১৭ ইং তারিখ রোজঃ রবিবার  বেলাঃ ১১.০০ ঘটিকায় ইউ/পি কার্যালয়ে ইউনিয়ন পরিষদের
 এক মাসিক সাধারণ  সভা অনুষ্টিত হয়। 
 
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মাসুদ মিয়া।
 
সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দ
 
  ক্রমিক নং    নাম   পদবী                              স্বাক্ষরিত
০১। জনাবা  মোছাঃ পুষ্প বেগম ইউ/পি সদস্যা ”
০২। জনাবা  মোছাঃ রোকিয়া বেগম ইউ/পি সদস্যা ”
০৩। জনাবা হোসনা খানম ইউ/পি সদস্যা ”
০৪। জনাব হাবিবুর রহমান ইউ/পি সদস্য ”
০৫। জনাব মোঃ আশরাফ আলী ইউ/পি সদস্য ”
০৬। জনাব সুজন চন্দ্র তাং ইউ/পি সদস্য ”
০৭। জনাব মোঃ মছকু মিয়া ইউ/পি সদস্য ”
০৮। জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন ইউ/পি সদস্য ”
০৯। জনাব মোঃ আব্দুল বাতিন ইউ/পি সদস্য ”
১০। জনাব মোঃ আব্দুল জলিল ইউ/পি সদস্য ”
১১। জনাব মহিবুর রহমান ইউ/পি সদস্য ”
১২। জনাব চুনু দেব ইউ/পি সদস্য ”
 
০১। ২০১৭ - ২০১৮ অর্থ বৎসরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান” কর্মসুচীর (১য়  পর্যায়) প্রকল্প বাস্তবায়নের 
      জন্য শ্রমিক তালিকা, প্রকল্প  তালিকা  ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি দাখিল সম্বন্ধে আলোচনা। 
 
০২। জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন।
 
০৩। বিবিধ
 
ক্রমিক নং সভার আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কারী 
    কর্তৃপক্ষ
০১। সভায় সভাপতি সাহেব জনান যে, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বৎসরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসুচীর (১মপর্যায়) বরাদ্ধের  শ্রমিক তালিকা, প্রকল্প তালিকা  ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করে উপজেলা পরিষদে দাখিল করার জন্য পত্র পাওয়া গিয়াছে।পত্রের স্মারকনং ৫১.০১.৯০২৭.০০০.৯৬.০১১.১৭/১২ তারিখঃ ১৯/১১/২০১৭ইং। বরাদ্ধের পরিমাণঃ১৫,৬০,০০০ টাকামাত্র। জরুরী ভিত্তিতে প্রকল্প তালিকা দাখিল করা অত্যন্ত জরুরী । সকলের আলোচনার মাধ্যমে প্রকল্প তালিকা তৈরী করার জন্য প্রস্তাব করিলাম। সভায় উপস্থিত সদস্যগণ আলোচনার মাধ্যমে নি¤œ বর্ণিত প্রকল্প তালিকা উপজেলা পরিষদে প্রেরণ করে চুড়ান্ত অনুমোদন করে প্রকল্প কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপজেলা পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট পি আই সি কমিটি
 
কর্মসৃজন প্রকল্পঃ
 
ক্রমিক 
   নং প্রকল্পের নাম বরাদ্দের  পরিমাণ শ্রমিক সংখ্যা প্রকল্প সভাপতি
০১। জয়কলস সি এন্ড বি রাস্তা থেকে ১ম কর্মসংস্থান অসমাপ্ত কাজ হতে আকবর আলীর বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ২,১৬,০০০/= ২৭ জন জনাব মোঃ মছকু মিয়া, ইউ/পি সদস্য ০৪ নং ওয়ার্ড
০২। ডুংরিয়া মংলার বাড়ী হতে আঃ রহমানের বাড়ী হয়ে মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ২,১৬,০০০/= ২৭ জন জনাব মোঃ আনোয়ার
হোসেন ইউ/পি সদস্য ০৫ নং ওয়ার্ড
০৩। বগলাখাড়া সি এন্ড বি রাস্তা হতে বগলা খাড়া বিল পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ২,১৬,০০০/= ২৭ জন জনাবা হোসনা খানম
ইউ/পি সদস্যা ০৭,০৮,০৯  নং ওয়ার্ড
০৪। উজানীগাঁও এল জি ই ডি রাস্তায় মাটি ভরাট ৪,৮০,০০০/= ৬০ জন জনাবা রোকেয়া বেগম ইউ/পি সদস্যা ০৪,০৫,০৬  নং ওয়ার্ড
০৫। ঘরুয়া বাদশা মিয়ার বাড়ী হতে ওয়াপদা পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ২,১৬,০০০/= ২৭ জন জনাব মোঃ আব্দুল বাতিন
ইউ/পি সদস্য ০৬ নং ওয়ার্ড
০৬। কামরুপদলং কান্দির মসজিদ হতে আলী হোসেনের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ২,১৬,০০০/= ২৭জন জনাব মোঃ আশরাফ আলী ইউ/পি সদস্য ০২ নং ওয়ার্ড
                       মোটঃ  ১৫,৬০,০০০/=      ১৯৫ জন
 
ননওয়েজ প্রকল্প
ক্রমিক 
   নং প্রকল্পের নাম বরাদ্দের  পরিমাণ প্রকল্প সভাপতি
০১। বগলাখাড়া সি এন্ড বি রাস্তা হতে বগলা খাড়া বিল পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে ননওয়েজ কালভার্ট নির্মাণ। ৮২,৯৪৮/= জনাবা হোসনা খানম
ইউ/পি সদস্যা ০৭,০৮,০৯  নং ওয়ার্ড
 
ক্রমিক নং সভার আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কারী 
    কর্তৃপক্ষ
০১। ০১। সভায় সভাপতি সাহেব বলেন বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে আমরা, বাংলাদেশের জনগণ,১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্টিত করিয়াছি, আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে আতœনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রনোসর্গ করিতে উদ্ধুদ্ধ করিয়াছিল- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র,গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মুলনীতি হইবে। সংবিধানের আলোকে সুনামগঞ্জ জেলার সুযোগ্য,অভিঞ্জ মাননীয়, জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ সাবিরুল ইসলাম সুনামগঞ্জ জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপনের জন্য উপানুষ্টানুনিক পত্র প্রেরণ করিয়াছেন। উপানুষ্টানুনিক পত্র  নং ৪৬.৪৬.৯০০০.০১১.০৪.০০২.১৭-৫৩৩(৮৮) তারিখঃ০১/০৮/২০১৭ খ্রিষ্টাব্দ  পত্রের নির্দেশনা মোতাবেক ইউনিয়ন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগারে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা,ছবি, ভোটার আইডি কার্ড, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের  হাতে লেখা স্মৃতিচারণ,মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন নিদর্শন, ডায়েরী,  মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহুত বিভিন্ন দ্রবাদি রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মাননীয়, জেলা প্রশাসক, মহোদয়ের নির্দেশনা দেশপ্রেমের সত্যিকার উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাগণ দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে মুক্তিসংগ্রামে আতœনিয়োগ ও বীর শহীদগণ প্রনোসর্গ করিয়াছে তাহা তৃণমুলের জনগণ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম জানতে পেরে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হবে বিধায় জয়কলস ইউনিয়নে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপনের জন্য প্রস্থাব করিলাম।
 
০২। সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব চুনু দেব ইউ/পি সদস্য বলেন ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নের্তৃত্বে  মুক্তিযোদ্ধাগণ জীবন পণ বাজী রেখে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে, ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মিত হলে এলাকার তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা স্মৃতিচারণ,মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন নিদর্শন, ডায়েরী,  মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহুত বিভিন্ন দ্রবাদি ইত্যাদি পড়ে ও দেখে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হবে। মুক্তিযোদ্ধাগণ আমাদের নিজ এলাকার তাদের লেখা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ পড়ে যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখে নাই তাহারা দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের  সম্মান করবে,তরুণ প্রজন্ম আওয়ামীগ সরকারের প্রতি আকৃষ্ট হবে বিধায়  জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মাণ করার জন্য প্রস্থাব করিলাম। 
 
০৩। সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ মছকু মিয়া ইউ/পি সদস্য বলেন ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নের্তৃত্বে  মুক্তিযোদ্ধাগণ জীবন-মরণ যোদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল,যার ফলে বাংলাদেশ সংবিধানের  
অনুচ্ছেদ-১। প্রজাতন্ত্র
বাংলাদেশ একটি একক,স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র,যাহা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত হইবে। 
 
৩০ লক্ষ শহীদের ও মুক্তিযোদ্ধাদের আতœত্যাগের ফলে বহু কষ্টের বিনিময়ে বাংলাদেশ বিশে^র দরবারে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করার জন্য সুনামগঞ্জ জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক,জনাব মোঃ সাবিরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সুনামগঞ্জ জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন নিঃসন্দেহে একটি উৎকৃষ্টমানের কাজ। আমি ও মাননীয় জেলা প্রশাসক, মহোদয়ের সাথে একমত পোষন করে জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযোদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন করার জন্য প্রস্থাব করিলাম।
 
০৪। সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃআনোয়ার হোসেন  ইউ/পি সদস্য বলেন ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নের্তৃত্বে  মুক্তিযোদ্ধাগণ ও দেশের আপামর জনগণ জীবন-মরণ যোদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল। যার ফলে আমরা বাংলায় কথা বলতে পারি, অন্যতায় উর্দুতে কথা বলতে হত। আমাদের এলাকার স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাগণ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে অনেকে মৃত্যুবরণ করিয়াছেন তাদের ব্যবহৃত জিনিস পত্র মুক্তিযোদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষণ, ও যারা জীবিত রয়েছেন তাদের লেখা স্মৃতি চারণ ইত্যাদি ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগারে রাখলে এলাকার লোকজন ও তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধের  সঠিক ইতিহাস সম্বন্ধে জানতে পেরে বাংলাদেশ আওয়ামীগ সরকারের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগদান করবে বিধায় জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযোদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন করার জন্য প্রস্থাব করিলাম।
 
০৫। সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব সুজন চন্দ্র তাং ইউ/পি সদস্য বলেন ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নের্তৃত্বে  মুক্তিযোদ্ধাগণ ও দেশের আপামর জনগণ জীবন-পণ যোদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল। সুনামগঞ্জ জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে মাননীয় জেলা প্রশাসক, জনাব মোঃ সাবিরুল ইসলাম এর উৎযোগে ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার  স্থাপন নিঃ সন্দেহে একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের কাজ। সত্যিকার দেশপ্রেমিককে ধন্যবাদ দিয়ে নয় আমি আশা করি মাননীয় সরকার বাহাদুর প্রকৃত দেশপ্রেমিককে ভবিষ্যতে যথাযথ উপযুক্ত সম্মানীয় পুরস্কার প্রদান করবেন। আমি ও মাননীয় জেলা প্রশাসক, মহোদয়ের সাথে একমত পোষন করে জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযোদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন করার জন্য প্রস্থাব করিলাম। সভায় উপস্থিত সদস্যগণ জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ইউনিয়ন পরিষদ
 
 
সভায় আর কোন আলোচনা থাকায় সভাপতি সাহেব উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিযে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
 
 
স্বা=
মোঃ মাসুদ মিয়া
  চেয়ারম্যান
জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ
দক্ষিণ  সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।
                জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়
            উপজেলাঃ দক্ষিণ,সুনামগঞ্জ জেলাঃ সুনামগঞ্জ
 
 
সুত্রঃ তারিখঃ
 
অদ্য ১৮/০৯/২০১৭ ইং তারিখ রোজঃ সোমবার  দুপুরঃ ২.০০ ঘটিকায় ইউ/পি কার্যালয়ে ইউনিয়ন পরিষদের এক বিশেষ সভা অনুষ্টিত হয়। 
 
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মাসুদ মিয়া
 
সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দ
ক্রমিক নং    নাম    পদবী                 স্বাক্ষরিত
০১। জনাবা মোছাঃ পুষ্প বেগম ইউ/পি সদস্যা ”
০২। জনাবা মোছাঃ রোকিয়া বেগম ইউ/পি সদস্যা ”
০৩। জনাবা হোসনা খানম ইউ/পি সদস্যা ”
০৪। জনাব হাবিবুর রহমান ইউ/পি সদস্য ”
০৫। জনাব মোঃ আশরাফ আলী           ইউ/পি সদস্য ”
০৬। জনাব  সুজন চন্দ্র তাং ইউ/পি সদস্য ”
০৭। জনাব মোঃ মছকু মিয়া ইউ/পি সদস্য ”
০৮। জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন ইউ/পি সদস্য ”
০৯। জনাব মোঃ আব্দুল বাতিন ইউ/পি সদস্য ”
১০। জনাব মোঃ আব্দুল জলিল           ইউ/পি সদস্য ”
১১। জনাব মহিবুর রহমান ইউ/পি সদস্য ”
১২। জনাব চুনু দেব ইউ/পি সদস্য ”
 
সভার আলোচ্য বিষয়ঃ 
০১। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বৎসরের এল জি এস পি -৩ প্রকল্পের   প্রকল্প তালিকা দাখিল  সম্বন্ধে 
       আলোচনা 
০২। বিবিধ
 
ক্রমিক নং সভার আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নকারী 
    কর্তৃপক্ষ
০১। সভায় সভাপতি সাহেব জনান যে,২০১৭-২০১৮ অর্থ বৎসরের এল জি এস পি -২ প্রকল্পের প্রকল্প তালিকা দাখিল করা অত্যন্ত জরুরী। বরাদ্ধের পরিমাণঃ ২৪,০২,২৭৯/=
সভাপতি সাহেব খাত ওয়ারী প্রকল্প তালিকা দাখিল করার জন্য সভায় প্রস্তাব করেন। 
সভায উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন যে,রাস্তা াঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ বর্ষাকালে বৃষ্টির দিনে কাদা রাস্তায় চলাফেরা করতে লোকজনের কষ্ট হয় বিধায় পাকা রাস্তা নির্মাণ করার জন্য প্রস্তাব করিলাম। 
 
সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল জলিল বলেন যে, জয়কলস ইউনিয়নের   শিক্ষা, পানি সরবরাহ ,স্বাস্থ্য, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও প্রচারণা কর্মসুচীতে বরাদ্ধ করার জন্য প্রস্তাব করিলাম। সভায় উপস্থিত সদস্যগণ চেযারম্যান সাহেব ও ইউ/পি সদস্যেগণের বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন যে,রাস্তাঘাট নির্মাণ করা শক্ষা, পানি সরবরাহ ,স্বাস্থ্য, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক  উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মসুচী করার জন্য সকলে একমত পোষণ করেন।  সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নিম্ন বর্ণিত প্রকল্প সমুহ উপজেলা বিজিসিসি কমিটির  সভায় অনুমোদন পুর্বক বাস্তবায়ন করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড    
   কমিটি
জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়
উপজেলা- দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, জেলা- সুনামগঞ্জ।
 
সূত্র ঃ তারিখঃ
 
অদ্য ২৬/১০/২০১৭ ইংতারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বেলাঃ ১১.০০ ঘটিকায় ইউ/পি কার্যালয়ে  জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত বেরীবাঁধ নির্মাণ ও খালের মুখে মাটি ভরাট করার জন্য স্থানীয়  জনগণকে নিয়ে এক উন্মুক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মাসুদ মিয়া।
 
সভায়  উপস্থিত সদস্যবৃন্দের হাজিরা পরিশিষ্ট ’ক’ তে দেখানো হলো।
 
অদ্যকার সভায় সভাপতি সাহেব বলেন গত ২৬/০৯/২০১৭ ইং তারিখে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করার জন্য এক মত বিনিময় সভা অনুষ্টিত। উক্ত সভায় সুনামগঞ্জ জেলার সম্মানিত,  সুযোগ্য ও অভিজ্ঞ জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ সাবিরুল ইসলাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন মোতাবেক হাওরে বেরীবাঁধ নির্মাণ করার জন্য সুনামগঞ্জ বাসীর উন্মুক্ত মতামত গ্রহণ করেন। অত্যন্ত সুন্দর ও মধুর কন্টে মতবিনিময় সভা উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ জেলার সম্মানিত, সুযোগ্য, অভিজ্ঞ ও  ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক জনাব মোঃ কামরুজ্জামান মহোদয়। মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের পক্ষে সরকারে গুরু দায়িত্ব। মাননীয় সরকার বাহাদুরের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মোতাবেক সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসন হাওর রক্ষা বাঁধের মতবিনিময় সভা করে মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা করার পক্ষে প্রাথমিক কাজ করেছেন। আমরা ও প্রশাসনের কাজে সহযোগীতা করার জন্যএবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা করার জন্য জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত বেরীবাঁধ নির্মাণ/ মেরামত ও খালের মুখে মাটি ভরাট করার স্থান নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত সভায় প্রস্তাব করিলাম।
 
সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল জলিল বলেন সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসন ভাটী বাংলার কৃষকদের হাওরের ফসল রক্ষার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। যার ফলে পুর্ব প্রস্তুতিমুলক মতবিনিময় সভা করে পুর্ব থেকেই হাওর রক্ষার সু-পরিকল্পনা করে যাচ্ছেন। তাহাদের সাথে আমাদের স্থানীয় জনগণের ও হাওর রক্ষা বাঁধে সহযোগীতা করা অত্যন্ত জরুরী, উদাহরণ স্বরুপ বলা যায় যেমনঃ একজন সুদক্ষ ড্রাইভারের সফলতা শুধু তার নিজস্ব পারফরমেন্সের উপর নির্ভর করে না, সাথে সাথে পথচারী ও অন্যান্য ড্রাইভারদের দক্ষতার উপর ও নির্ভরশীল। আমার জানামতে হাওর রক্ষা বাঁধের কাজে আমাদের প্রশাসনের পারফরমেন্স খুবই ভাল, সাথে সাথে আমরা স্থানীয় জনগণ হাওর রক্ষা বাঁধের সঠিক জায়গার নাম ও বাঁধের কাজে সহযোগীতা করলে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড সঠিক কারিগরি সহায়তা প্রদান করলে হাওরে বাঁধ নির্মাণ করে ফসল রক্ষা করা খুবই সহজ হবে। আমরা স্থানীয় জনগণ  মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র ও প্রশাসনের মতবিনিময় সভার প্রেক্ষিতে উন্মুক্ত  সভায় উপস্থিত লোকজনের মাধ্যমে জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত হাওর রক্ষা বাঁধের স্থান নির্বাচন করার জন্য প্রস্তাব করিলাম।
 
সভায় উপস্থিত সদস্য জনাবা পুষ্প বেগম বলেন সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসন হাওর রক্ষার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। জেলা প্রশাসনের গত ২৬/০৯/২০১৭ ইং তারিখে হাওর রক্ষা বাঁেধের মতবিনিময় সভায় সুনামগঞ্জ জেলার সম্মানিত, সুযোগ্য, অভিজ্ঞ ও  ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক জনাব মোঃ কামরুজ্জামান মহোদয় কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মতবিনিময় সভায় তাহারা কিছু বলেননি,তাহাদেরকে তিনি নিজে ডেকে তাহাদের মুল্যবান মতামত নেন। এ থেকে বুঝা যায় তিনি অত্যন্ত মহৎ মনের অধিকারী,যার মন থেকে ভাল উৎকৃষ্ট মানের চিন্তার জন্ম নেয়। চিন্তা থেকে ভাল কাজের জন্ম নেয়। তিনি হাওরে আরো কিভাবে ভাল কাজ করলে হাওর রক্ষা পাবে সেই কথাটি বিবেচনা করে মানুষের কল্যাণের স্বার্থে, মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে ডেকে ডেকে অবশিষ্ট জনদের মতামত নেন। আমরা স্থানীয় জনগণ  মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র ও প্রশাসনের মতবিনিময় সভার প্রেক্ষিতে উন্মুক্ত  সভায় উপস্থিত লোকজনের মাধ্যমে জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত হাওর রক্ষা বাঁধের স্থান নির্বাচন করার জন্য প্রস্তাব করিলাম। 
সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসন হাওর রক্ষার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা স্থানীয় জনগণ তাহাদেরকে সহযোগীতা করলে হাওর রক্ষা কাজে অবশ্যই সফল হব। আমাদের হাওর রক্ষার প্রধান সমস্যা হলো আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল। হঠাৎ আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল এসে সরাসরি পানি হাওরে প্রবেশ করে। আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল থেকে হাওর রক্ষা করার জন্য মাঘ-ফাল্গুন মাসের মধ্যে বাঁধের কাজ সম্পুর্ণ শেষ করতে হবে,অন্যথায় আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল থেকে হাওর রক্ষা করা খুবই কঠিন হবে। অতি জরুরী ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ/মেরামত করার জন্য জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত হাওর রক্ষা বাঁধের স্থান উন্মুক্ত সভায় উপস্থিত সকল লোকজনকে প্রদান করার জন্য প্রস্তাব করিলাম।
 
সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ মছকু মিয়া বলেন সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসন হাওর রক্ষার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা স্থানীয় জনগণ ও হাওর রক্ষার জন্য যে কোন ধরনের কাজ করতে সম্মত আছি। কিন্তু যত চেষ্টাই করিনা কেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আল্লাহর প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী সৃষ্ট। দৈব-দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা পৃথিবীর কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় বিধায়  দৈব-দুর্ঘটনা থেকে হাওর রক্ষার জন্য যার-যার ধর্মের বিধান অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার নিকট দোয়া/ প্রার্থনা করার জন্য অর্থাৎ আমরা মুসলিমবৃন্দ এখন থেকে ফসল কাটার পুর্ব পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার জুম্মার দিনে মসজিদে ইমাম সাহেবকে দিয়ে দোয়া করানো ও হিন্দুদেরকে মন্দিরে প্রার্থনা করার জন্য প্রস্তাব করিলাম। 
জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত হাওর রক্ষা বাঁধের স্থান উন্মুক্ত সভায় উপস্থিত সকল লোকজনকে প্রদান করার জন্য ও প্রস্তাব করিলাম।
 
সভায় বিস্তারিত আলোচনান্তে কাবিটা নীতিমালা ২০১৭এর ৪.১ নং অনুচ্ছেদ সহ অন্যান্য অনুচ্ছেদের আলোকে সভায় উপস্থাপিত স্কীম সমুহের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রকাশ্য সাধারণ/মতবিনিময় সভার মাধ্যমে সম্ভাব্য স্কীমের বিষয়ে উপস্থিত সদস্যবৃন্দসহ সাধারণ জনসাধারণ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মতামতের ভিত্তিতে নি¤েœাক্ত স্কীম সমুহ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত ও গৃহীত হয়। 
 
ক্রমিক নং       প্রকল্পের নাম
১। সংহাইর হাওরঃ ফতেপুর হইতে মির্জাপুর।
২। ডেকার হাওরঃ জয়কলস রাস্তার মুখ এবং জয়কলস খাল।
৩। ডেকার হাওরঃ আসামপুর হইতে উথারিয়ার নিকট পর্যন্ত।
৪। ডেকার হাওরঃ উথারিয়া হইতে আস্তমা।
৫। খাই হাওরঃ সদরপুর ব্রীজের দক্ষিণ পাশ খালের  মুখ ভাঙ্গা বন্ধকরণ।
৬। শিবপুর ভাঙ্গা ব্রীজের সামনে মাটি ভরাট।
৭। পার্বতীপুর খালের মুখে বাঁধ নির্মাণ।
৮। সাংহাই হাওরে ডুংরিয়া দঃ পাড়া হতে বড়বন পর্যন্ত বেরীবাঁধ নির্মাণ
৯। দেবগ্রামে ভিতরে খালের ব্রীজের মুখে মাটি ভরাট।
 
সভায় আর কোন আলোচনা না থাকায় সভাপতি সাহেব উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
 
স্মারক নং     তারিখঃ
 
অনুলিপি সদয় অবগতির জন্য প্রেরণ করা হলো।
১। মাননীয়,উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ।
২। অফিস নথি
সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসন হাওর রক্ষার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা স্থানীয় জনগণ তাহাদেরকে সহযোগীতা করলে হাওর রক্ষা কাজে অবশ্যই সফল হব। আমাদের হাওর রক্ষার প্রধান সমস্যা হলো আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল। হঠাৎ আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল এসে সরাসরি পানি হাওরে প্রবেশ করে। আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল থেকে হাওর রক্ষা করার জন্য মাঘ-ফাল্গুন মাসের মধ্যে বাঁধের কাজ সম্পুর্ণ শেষ করতে হবে,অন্যথায় আগাম বন্যা ও পাহাড়ী ঢল থেকে হাওর রক্ষা করা খুবই কঠিন হবে। অতি জরুরী ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ/মেরামত করার জন্য জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত হাওর রক্ষা বাঁধের স্থান উন্মুক্ত সভায় উপস্থিত সকল লোকজনকে প্রদান করার জন্য প্রস্তাব করিলাম।
 
সভায় উপস্থিত সদস্য জনাব মোঃ মছকু মিয়া বলেন সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসন হাওর রক্ষার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা স্থানীয় জনগণ ও হাওর রক্ষার জন্য যে কোন ধরনের কাজ করতে সম্মত আছি। কিন্তু যত চেষ্টাই করিনা কেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আল্লাহর প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী সৃষ্ট। দৈব-দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা পৃথিবীর কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় বিধায়  দৈব-দুর্ঘটনা থেকে হাওর রক্ষার জন্য যার-যার ধর্মের বিধান অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার নিকট দোয়া/ প্রার্থনা করার জন্য অর্থাৎ আমরা মুসলিমবৃন্দ এখন থেকে ফসল কাটার পুর্ব পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার জুম্মার দিনে মসজিদে ইমাম সাহেবকে দিয়ে দোয়া করানো ও হিন্দুদেরকে মন্দিরে প্রার্থনা করার জন্য প্রস্তাব করিলাম। 
জয়কলস ইউনিয়নের আওতাভুক্ত হাওর রক্ষা বাঁধের স্থান উন্মুক্ত সভায় উপস্থিত সকল লোকজনকে প্রদান করার জন্য ও প্রস্তাব করিলাম।
 
সভায় বিস্তারিত আলোচনান্তে কাবিটা নীতিমালা ২০১৭এর ৪.১ নং অনুচ্ছেদ সহ অন্যান্য অনুচ্ছেদের আলোকে সভায় উপস্থাপিত স্কীম সমুহের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রকাশ্য সাধারণ/মতবিনিময় সভার মাধ্যমে সম্ভাব্য স্কীমের বিষয়ে উপস্থিত সদস্যবৃন্দসহ সাধারণ জনসাধারণ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মতামতের ভিত্তিতে নি¤েœাক্ত স্কীম সমুহ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত ও গৃহীত হয়। 
 
ক্রমিক নং       প্রকল্পের নাম
১। সংহাইর হাওরঃ ফতেপুর হইতে মির্জাপুর।
২। ডেকার হাওরঃ জয়কলস রাস্তার মুখ এবং জয়কলস খাল।
৩। ডেকার হাওরঃ আসামপুর হইতে উথারিয়ার নিকট পর্যন্ত।
৪। ডেকার হাওরঃ উথারিয়া হইতে আস্তমা।
৫। খাই হাওরঃ সদরপুর ব্রীজের দক্ষিণ পাশ খালের  মুখ ভাঙ্গা বন্ধকরণ।
৬। শিবপুর ভাঙ্গা ব্রীজের সামনে মাটি ভরাট।
৭। পার্বতীপুর খালের মুখে বাঁধ নির্মাণ।
৮। সাংহাই হাওরে ডুংরিয়া দঃ পাড়া হতে বড়বন পর্যন্ত বেরীবাঁধ নির্মাণ
৯। দেবগ্রামে ভিতরে খালের ব্রীজের মুখে মাটি ভরাট।
 
সভায় আর কোন আলোচনা না থাকায় সভাপতি সাহেব উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
 
স্মারক নং     তারিখঃ
 
অনুলিপি সদয় অবগতির জন্য প্রেরণ করা হলো।
১। মাননীয়,উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ।
২। অফিস নথি
 

  জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়
 উপজেলাঃ দক্ষিণ,সুনামগঞ্জ, জেলাঃ সুনামগঞ্জ
সুত্রঃ                                                   তারিখঃ

অদ্য ২১/০৫/২০১৭ ইং তারিখ রোজঃ সোমবার বেলাঃ ১১.০০ ঘটিকায় ইউ/পি কার্যালয়ে ইউনিয়ন     
পরিষদের এক মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্টিত হয়।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মাসুদ মিয়া
                 সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দ
ক্রমিক নং       নাম                                  পদবী                     স্বাক্ষরিত
০১।    জনাবা মোছাঃ পুষ্প বেগম             ইউ/পি সদস্যা                  ”
০২।    জনাবা মোছাঃ রোকিয়া বেগম        ইউ/পি সদস্যা                   ”
০৩।    জনাবা হোসনা খানম                   ইউ/পি সদস্যা                  ”
০৪।    জনাব হাবিবুর রহমান                  ইউ/পি সদস্য                  ”
০৫।    জনাব মোঃ আশরাফ আলী           ইউ/পি সদস্য                   ”
০৬।    জনাব  সুজন চন্দ্র তাং                  ইউ/পি সদস্য                  ”
০৭।    জনাব মোঃ মছকু মিয়া                 ইউ/পি সদস্য                  ”
০৮।    জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন        ইউ/পি সদস্য                  ”
০৯।    জনাব মোঃ আব্দুল বাতিন             ইউ/পি সদস্য                  ”
১০।    জনাব মোঃ আব্দুল জলিল             ইউ/পি সদস্য                  ”
১১।    জনাব মহিবুর রহমান                  ইউ/পি সদস্য                  ”
১২।    জনাব চুনু দেব                           ইউ/পি সদস্য                  ”

সভার আলোচ্য বিষয়ঃ ০১। ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে কাজের বিনিময়ে টাকা কর্মসুচীর আওতায় হাওর উপ- প্রকল্পসমুহে আগাম বন্যা প্রতিরোধকল্পে ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা বন্ধকরন ও মেরামত কাজ বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প     
      বাস্তবায়ন কমিটি (পি আই সি) এর সভাপতি মনোনয়ন।

ক্রমিক নং    সভার আলোচনা    সভার সিদ্ধান্ত    বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ
০১।    পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করে  সভাপতি সাহেব সভার কাজ শুরু করেন।সভাপতি সাহেব বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর দ্বিতীয় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতি অংশের অনুচ্ছেদ-১৬ অনুযায়ী গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব অর্থাৎ নগর ও গ্রামাঞ্চালের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দুর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষি বিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরনের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের  আমুল রুপান্তর সাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।রাষ্ট্রের পক্ষে সরকার বিভিন্ন মন্ত্রলালয়ের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়ন করে। সংবিধানের আলোকে সরকার পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলয়ের ভাটীবাংলার হাওর রক্ষা করে কৃষি বিল্পবের  বিকাশ সাধনের জন্য আগাম বন্যা প্রতিরোধ কল্পে ডুবন্ত বাধের ভাঙ্গা বন্ধকরণ ও মেরামত কাজ করার জন্য পত্র প্রেরণ করেছেন। পত্রের স্মারক নং এফ-২/৫৪২ তারিখঃ ৩০/১০/২০১৭ ইং। পত্রের নির্দেশনা মোতাবেক ইউ/পি সভার মাধ্যমে প্রকল্প সভাপতি মনোনয়ন করে নির্বাহী প্রকৌশলী সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ, বাপাউবো সুনামগঞ্জে প্রেরণ করার জন্য।

সভায় তিনি আরো বলেন সুনামগঞ্জ জেলার কর্ণধার,দক্ষ,ওঅভিজ্ঞ এবং সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ট জেলা প্রশাসক জনাব শেখ রফিকুল ইসলাম মহোদয়ের বাণী ০১। পতিত জমি করবো চাষ, ফসল খাবো বারো মাস।মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের বাণী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান এর অনুচ্ছেদ-১৬ গ্রামীণ উন্নয়ন কৃষি বিপ্লবের সাথে মিল রয়েছে। সংবিধান রাষ্ট্রের পবিত্রতম দলিল। সেই অনুয়ায়ী মাননীয় জেলা প্রশাসক এর বাণী ও পবিত্র। পবিত্র বাণীকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলার কৃষকগণ পতিত জমি চাষ করতে শুরু করেছে।পতিত জমি চাষে আস্তে আস্তে সুনামগঞ্জ জেলায় কৃষি বিল্পবের সুচনা শুরু হয়েছে।কৃষি বিল্পবের সুচনা যাহাতে আগাম বন্যার পানিতে বিনষ্ট না হয়সেই জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে সাংহাই হাওর, ডেকার হাওর ,খাই হাওরের ডুবন্ত বাধের ভাঙ্গা বন্ধ করণ ও মেরামত করার জন্য প্রস্তাব করিলাম।
০২। সভায় উপস্থিত ইউ/পি সদস্যা জনাবা পুষ্প বেগম বলেন সুনামগঞ্জ জেলার সুযোগ্য ও সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ট জেলা প্রশাসক  মহোদয়ের বাণী পতিত জমি করবো চাষ, ফসল খাবো বারো মাস। উক্ত বাণী গ্রামীন উন্নয়ন ও কৃষি বিল্পবে যুগান্তকারী ভুমিকা রাখছে।  মাননীয় জেলা প্রশাসক,সুনামগঞ্জ মহোদয়ের বাণী সংবিধান,ক্ষুধা,দারিদ্র বিমোচনে এবং কৃষি বিল্পবে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও পবিত্রতম। তিনি শুধু সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ট জেলা প্রশাসক নন, আমি মনে করি মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের বাণী সংবিধানের ১৬-অনুচ্ছেদ এর সাথে মিল থাকায় তিনি সমগ্র বাংলাদেশের শ্রেষ্ট জেলা প্রশাসক হওয়ার আশা রাখি। আমাদের ভাটী বাংলার হাওর অঞ্চলে নিচু জায়গায় বোরো জমি এবং উচু জায়গা পতিত থাকে।পতিত জায়গায় বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন ফসল ও ইরি ফসল রোপন করা হয়।ভাটী বাংলার কৃষকদের প্রানের  ফসল আগাম পানি থেকে রক্ষার জন্য জয়কলস ইউনিয়নের আওতাধীন ডুবন্তবাঁেধর ভাঙ্গা বন্ধকরণ ও মেরামত করা জন্য প্রস্তাব করিরাম।    সভায় উপস্থিত সদস্যগণ ইউ/পি চেয়ারম্যান সাহেব ও ইউ/পি সদস্যের বক্তব্যকে ধন্যবাদ জানান  তাহাদের বক্তব্য অনুযায়ী সংবিধান ও মাননীয় সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ট জেলা প্রশাসক জনাব শেখ রফিকুল ইসলাম এর বাণীকে  সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে অত্যন্ত কঠোর ও সতর্কতা অবলম্বন করে নি¤œলিখিত হাওরের ডুবন্ত বাঁেধর ভাঙ্গা বন্ধকরণ ও বেরীবাঁধ মেরামত করারর জন্য পত্রের নির্দেশনা মোতাবেক হাওরের  নামের পার্শ্বে প্রকল্প সভাপতি সকলের আলোচনার মাধ্যমে  সর্বসম্মতিক্রমে মনোনয়ন  করার জন্য  সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।


০১।সাংহাই হাওরঃ ফতেপুর হইতে মির্জাপুর ।                প্রকল্প সভাপতিঃ আব্দুল জলিল, ইউ/পি সদস্য ০৭ নং ওয়ার্ড, জয়কলস ইউ/পি

০২। ডেকার হাওরঃ জয়কলস রাস্তার মুখ এবং জয়কলস
                      খাল।
  প্রকল্প সভাপতিঃ জনাব মোঃ মছকু মিয়া, ইউ/পি সদস্য    
                 ০৪ নং ওয়ার্ড,জয়কলস ইউ/পি।
০৩।ডেকার হাওরঃ আসামপুর হইতে উথারিয়ার নিকট
                      পর্যন্ত।
   প্রকল্প সভাপতিঃ জনাবা মোছাঃ পুষ্প বেগম, ইউ/পি  
       সদস্যা ০১,০২,০৩ নং ওয়ার্ড,জয়কলস ইউ/পি।

০৪। ডেকার হাওরঃ উথারিয়া হইতে আস্তমা।
     প্রকল্প সভাপতিঃ জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান, ইউ/পি  
                   সদস্য ০১, নং ওয়ার্ড,জয়কলস ইউ/পি।

০৫। খাই হাওরঃ সদরপুর ব্রীজের দক্ষিণ পাশ খালের
                   মুখ ভাঙ্গা বন্ধকরন।
    প্রকল্প সভাপতিঃ জনাবা মোঃ আশরাফ আলী, ইউ/পি    
                সদস্য ০২ নং ওয়ার্ড,জয়কলস ইউ/পি।

 

    

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter